Wednesday, April 29, 2020

ইরফান কে যুদ্ধে হারাল কোলান ভাইরাস কি সেই ভাইরাস


ইরফানকে যুদ্ধে হারাল কোলোন ইনফেকশন, জানুন কী সেই রোগ...

কোলাইটিসের কারণ অনুযায়ী কয়েক ভাগে একে ভাগ করা যায়। রক্ত সরবরাহ ঠিকমতো না হলে এবং প্যারাসাইটের জন্য। এক হতে পারে ইনফেকশনের জন্য। ইনফেকটিভ কোলাইটিস বলে একে। আগে কলেরা হত, সেটার জন্যও হত কোলাইটিস। এখন সালমোনেলার জন্য অনেক সময়ে এই কোলাইটিস হয়। এই সালমোনেলা ব্যাকটিরিয়ার জন্য টাইফয়েড হয়। আবার ভাইরাল ইনফেকশনের জন্যও হয় এই কোলাইটিস।

 
ei samay
ইরফান খান

হাইলাইটস

  • বৃহদন্ত্রের ভিতরে যখন ঘা তৈরি হয়, বৃহদন্ত্র ফুলে যায়, লাল হয়ে যায়, তখন তাকে বলে কোলাইটিস।
  • আমাদের খাবার হজমের পর এই কোলনের মধ্যে দিয়েই পায়ুপথে আসে।
  • এই রাস্তাটাই যদি সংক্রমিত হয়ে থাকে তাতে গুরুতর সমস্যা তৈরি হতে পারে।
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: কোলন ইনফেকশনে আক্রান্ত হয়ে মাত্র ৫৩ বছর বয়সে চলে গেলেন কিংবদন্তী অভিনেতা ইরফান খান। মুম্বইয়ে কোকিলাবেন ধীরুভাই আম্বানি হাসপাতালে বুধবার শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন তিনি। পিকু-অভিনেতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করার পাশাপাশি জেনে নিন কী এই কোলন ইনফেকশন?

কোলন মানে আমাদের বৃহদন্ত্র। কোলনের ভিতরের প্রদাহই কোলাইটিস। অর্থাৎ বৃহদন্ত্রের ভিতরে যখন ঘা তৈরি হয়, বৃহদন্ত্র ফুলে যায়, লাল হয়ে যায়, তখন তাকে বলে কোলাইটিস। আমাদের খাবার হজমের পর এই কোলনের মধ্যে দিয়েই পায়ুপথে আসে। এই রাস্তাটাই যদি সংক্রমিত হয়ে থাকে তাতে গুরুতর সমস্যা তৈরি হতে পারে। এটা একটা সমস্যা যেখানে মানুষের শরীরের নিজস্ব প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। আর তা থেকেই বৃহদন্ত্রের ভিতরে জ্বালাভাব বা প্রদাহ তৈরি হয়।

এর আবার দুটো ভাগ। এক, আলসারেটিভ কোলাইটিস। যেখানে, ছোট ছোট আলসার পুরো কোলনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এটা রেকটাম থেকে শুরু করে পুরো কোলনে ছড়িয়ে থাকে বা কোথাও কোথাও ছড়িয়ে থাকে। এক্ষেত্রে আলসারগুলো বা ঘা গুলো একে অন্যের সঙ্গে আটকে থাকে। দুই, ক্রোনস ডিজিজ। এক্ষেত্রে কোলন ছাড়াও, ক্ষুদ্রান্ত্রের বিভিন্ন জায়গায় এই আলসার ছড়িয়ে থাকে। ঘা বা ক্ষত অনেক গভীর ও বড় হয়। একটার সঙ্গে আরেকটা ছাড়া ছাড়া ভাবে থাকে। খাওয়ার অনিয়মের জন্যই শুধু আলসার হয় তা বলা যায় না। তবে অবশ্যই এটাও একটা কারণ।


দু-বছর থেকে ৮০ বছর বয়স পর্যন্ত যে কোনও মানুষেরই হতে পারে এই সমস্যা। পেট ব্যথা, বারেবারে মলত্যাগ, মলের সঙ্গে রক্ত পড়া, খুব দ্রুত ওজন কমলে বুঝতে হবে কোলাইটিস। এটা মূলত ক্রোনস ডিসিজ়ের ক্ষেত্রে দেখা যায়।

কোলাইটিস ইনফেকশন থেকে হলে কিছুদিন অ্যান্টিবায়োটিক খেলে ঠিক হয়ে যায়। আর আলসারেটিভ কোলাইটিস হলে, তার তীব্রতার উপরে নির্ভর করে কী ওযুধে চিকিৎসা শুরু করব। খুব তীব্র সমস্যা হলে রোগীকে স্টেরয়েড দেওয়া হয় সাময়িক ভাবে ওই প্রদাহকে বাগে আনার জন্য। খুব কম মাত্রায় এই স্টেরয়েড দেওয়া হয়। আর ক্রমে ক্রমে কমানো হয় স্টেরয়েডের মাত্রা। কোনো ওষুধই কাজ না করলে আলসারেটিভ কোলাইটিসে শেষ অস্ত্র হিসেবে অপারেশনকে বেছে নিতে হয়। পুরো কোলন বা বৃহদন্ত্রই কেটে বাদ দেওয়া হয় এক্ষেত্রে।

No comments:

Post a Comment

পোস্ট অফিসে RD স্কীমে টাকা রাখলে পাবেন উচ সুদ...

youtube পোস্ট অফিসে RD স্কীমে টাকা রাখুন আর পেয়ে যান উচ্চ সুদ Thursday, 07 May 2020 010:00AM বিশ্বব্যাপী মহামারী করোনার দ্বারা সৃষ্ট লকডাউনে...